সর্বশেষ

» জেল হত্যাকাণ্ড : বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত অধ্যায় ।। মোঃ দিলওয়ার হোসেন বাবর 

প্রকাশিত: 08. November. 2020 | Sunday

জেল হত্যাকাণ্ড : বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত অধ্যায় ।। মোঃ দিলওয়ার হোসেন বাবর 

আমাদের দেশ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। অনেক ত্যাগ সংগ্রাম, ত্রিশ লক্ষ শহীদ আর দুই লক্ষ মা বোনের ইজ্জত ও সম্ভ্রমের বিনিময়ে, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালি জাতির মুক্তির দূত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি লাল সবুজের মাতৃভুমি আমাদের এই প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ। আমাদের এই অর্জন ও অগ্রগতির পিছনে যেমন আনন্দ হাসি মিশ্রিত অনেক ঘটনা রয়েছে, তেমনি রয়েছে অনেক বেদনা বিধুর ও হৃদয় বিদারক ঘটনা।

আমাদের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে যে কটি দিন দুঃখ ও বেদনা মিশ্রিত স্মৃতিবহুল দিন হয়ে থাকবে,যে কটি দিন চিরকাল আমাদের জাতীয় জীবেন কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে তন্মধ্যে একটি হল ৩ নভেম্বর। যে কটি ঘটনা আমাদের বাংলাদেশকে স্বাধীনতার দীর্ঘ পঞ্চাশ বৎসর পরেও কাঙ্খিত অর্জনের পথে বাঁধা সৃষ্টি করে রেখেছে তার মধ্যে অন্যতমটি ঘটে ছিল ১৯৭৫ সাললর ৩ নভেম্বর।

আজ থেকে ৪৫ বৎসর আগের ঘটনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরুষ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করার পর সেই একই খুনী চক্র দেশ ও জতিকে নেতৃত্ব ও মেধাশুন্য করার জন্য, তাঁর রাজনৈতিক আদর্শের উত্তরসুরীদের চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য রাতের আঁধারে এক মহা পরিকল্পনা ও নীলনক্সা তৈরী করে। আর সেই নীলনক্সা অনুসারেই তারা ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের ৩ তারিখ গভীর রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে স্বাধীন বাংলাদেশের চার জাতীয় নেতা, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও পরিচালক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অতি ঘনিষ্ট সহচর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ, প্রথম অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করে। প্রথমে গুলি করে পরে বেয়নেট টিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে তাঁদের মৃত্যু নিশ্চিত করে।

তাই ৩ নভেম্বর জেলহত্য দিবস, জেল হত্যাকাণ্ডের দিন। বিশ্ব মানবতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত বেদনা বিধুর ও কষ্টের দিন। বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি লজ্জা ও ঘৃণার দিন। একটি বেদনা বিধুর দিন। নভেম্বর মাস আমাদের দুঃখ ও বেদনার মাস। নভেম্বর মাস আমাদের জন্য একটি শোক ও হারানোর মাস।

আমরা যতটুকু জানি বিশ্বের যে কোন দেশের জন্য জেলখানা হচ্ছে একটি নিরাপদ স্থান। সেখানে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কয়েদী ও রাজনৈতিক বন্দীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করা হয়ে থাকে। তাদের সহিত মানবিক আচরণ করা হয় এবং তাদের সকল প্রকার অধিকার নিশ্চিত করা হয়। কেননা এটা কেবল শাস্তি ভোগের জায়গা নহে, সেটা একটা সংশোধনের জায়গাও বটে।

অথচ আমরা সেদিন দেখেছি, বিশ্ব বাসীও দেখেছে, সেদিন নিরাপদ স্থান সেই জেলখানাতেই তৎকালীন সময়ের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ও নীতিনির্ধারণী ব্যক্তিদের চক্রান্তে ও ইশারায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এই নৃশংস ও জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত এই জেল হত্যাকাণ্ড বিশ্বের ইতিহাসের যে কোন পশুসুলভ বর্বর ও লোম হর্ষক হত্যাকাণ্ডকে হার মানায়।

১৯৭৫ সালের নভেম্বরে ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে নিহত এই চার নেতা বাংলাদলশের জাতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসে, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সৃষ্ঠির ইতিহাসের সাথে অত্যন্ত ঘনিষ্টভাবে জড়িয়ে আছেন।১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী সামরিক জ্যান্তাদের হাতে আটক বাঙ্গালি জাতির মুক্তির অগ্রদূত, তাদের নয়ন মণি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভুমিকা পালন করেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গভীর রাতে পাক বাহিনীদের হাতে বন্দী হওয়ার পর দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিব নগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্র পতির দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তাজউদ্দিন আহমদ মুজিব নগর সরকারের প্রধান মন্ত্রীর মত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। আর এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙ্গালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভুমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর দুই ঘনিষ্ট সহযোগী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামান আধুনিক অস্রশস্র সজ্জিত বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও উন্নত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী ভুমিকা পালন করেন।

বস্তুত পক্ষে জেল হত্যাকাণ্ডে নিহত আমাদের চার জাতীয় নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া অত্যন্ত চৌকস, মেধাবী ও তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক মেধাসম্পন্ন রাজনীতিবিদ। তাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করার পর সেই হত্যা কাণ্ডের মূল নায়ক, ষড়যন্ত্রকারী, সুবিধাভুগী, বঙ্গবন্ধু মন্ত্রী সভার সবচাইতে বিশ্বাস ঘাতক ও ঘৃণিত সদস্য, খুনী খন্দকার মোশতাক আহমদ কিছু ভিরু, কাপুরুষ ও স্বার্থপর রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে মন্ত্রী সভা গঠন করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরোহন করেন। এর পর পরই খুনী মোশতাক আহমদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে তার মন্ত্রী সভায় যোগদান করে তাকে সহযোগিতা করার প্রস্তাব জানালে তারা চারজনই ঐ প্রস্তাব সাহসিকতার সহিত ঘৃনা ভরে প্রত্যাখান করেন এবং বঙ্গবন্ধুর খুনীকে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেন।

এমতাবস্তায় খুনী মোশতাক আহমদ ভয়ে প্রথমে তাদের কিছুদিন গৃহবন্দী করে রাখেন এবং পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ২২ আগস্ট অন্যান্য আরও ১৯ জন আওয়ামী লীগ নেতর সহিত তাদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করেন। দেশকে নেতৃত্ব ও মেধাশুন্য করতে এবং বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অনুসারীদের চিরতরে ধ্বংস করার জন্য খন্দকার মোশতাক আহমদ বঙ্গবন্ধুর দুই খুনী কর্ণেল( অবঃ) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লেঃ কর্ণেল ( অবঃ) খন্দকার আব্দুর রশিদকে নিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা তৈরী করেন। এই হত্যাকাণ্ডের জন্য তারা কর্ণেল ফারুকের সবচাইতে আস্থাভাজন অফিসার রিসালদার মুসলেহ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি ঘাতক দল গঠন করে এবং তারাই জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকাণ্ডের পর পরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্দ্যোগে ঢাকার লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন সময়ে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্টিত ছিলেন তাদের চক্রান্ত,অপতৎপরতা, অনীহা ও প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে মামলার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার কোনটাই সম্পন্ন হয় নাই। দীর্ঘ দিন বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কেঁদেছে। নিহতের স্বজনরা ন্যায় বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছিলেন।

বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, দীর্ঘ দিন পরে ১৯৭৫ সালে স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু হ্ত্যা ও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল লন্ডনে। এসব হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিচার কার্যক্রমকে যে সমস্ত কারণ বাধা গ্রস্থ করেছে সেগুলো তদন্ত করার জন্য ১৯৮০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভানে এই কমিশন গঠন করা হয়। তবে সেই সময়কার রাষ্ট্র পরিচালনাকারী শীর্ষ ব্যক্তিদের অসহযোগিতার কারণে ঐ উদ্দ্যোগটি সফলতার মুখ দেখতে পায়নি।

এইভাবে দীর্ঘ দিন মামলাটি ধামচাপা দিয়ে রাখা হয়। কিন্তু পাপ কখনও পাথর চাপা থাকেনা। ২১ বৎসর পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা য়ুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের রায় নিয়ে ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্টিত হলে মামলার কার্যক্রম আবার পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এর পর আট বৎসর মালার বিচারিক কাজ চলার পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০ আসামীর মধ্যে ১৫ সাবেক সেনা কর্মকর্তার শাস্তি ও ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়। সাজা প্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক তিন জনের মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য বার জনের যাবজ্জীজন কারাদণ্ড হয়।

পরবর্তীতে নিম্ন আদালতের রায় পুনর্বিনেচার জন্য হাইকোর্টে আপীল করা হলে ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ে কেবল রিসালদার মুসলে উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে মৃত্যুূণ্ডপ্রাপ্ত দফাদার মারফত আলী শাহ ও এলডি দফাদার আবুল হাশেম মৃধা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত অপর চার আসামীকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়। এই রায়ে চার নেতার স্বজনরা সন্তুষ্ট হতে পারেন নাই। তারা এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রহসনের রায় বলে প্রত্যাখান করেন। তারা এই মামলার পুনর্তদন্ত ও পুনর্বিচার দাবী করেন।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পুনরায় মহাজোট সরকার দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আরোহণ করলে মামলাটি আবার ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর রাষ্ট্র পক্ষের মাধ্যমে আপীল বিভাগে পুনর্বিবেচনার জন যায়। সেখানে মামলাটির পুনর্বিবেচনার কাজ সম্পন্ন হয়।

তারি ধারা বাহিকতায় ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল আপীল বিভাগের চুড়ান্ত সংক্ষিপ্ত রায়ে ২০০৮ সালের হাইকোর্টের রায় বাতিল করে ২০০৪ সালের নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখা হয়। অর্থাৎ পলাতক তিন আসামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে বার আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু এই রায় এখনও পুরুপুরি কার্যকর হয় নাই।

তাই দেখা যায় যে, ১৯৭৫ সালে সংঘটিত ৩ নভেম্বরের জেল হত্যাকাণ্ডের ঘটনা একটি অত্যন্ত বেদনা দায়ক, হৃদয় বিদারক ও লোম হর্ষক ঘটনা। এটি আমাদের বাঙ্গালির জাতীয় জীবনের জন্য একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। এই কলঙ্ক থেকে আমাদের বেরিয়ে অাসতে হবে, আমাদের মুক্তি পেতে হবে। আর তার জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন বিদেশে পলাতক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে মামলার রায় কার্যকর করা। পাশাপাশি যারা এই খুনীদের লালন পালন করেছে, যারা এদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে মদদ দিয়েছে, বিদেশে পালিয়ে যেতে সাহা্য্য করেছে, যারা বিভিন্নভাবে এদের পুনর্বাসিত করেছে তাদেরও বিচারের আওতায় এনে সাজার ব্যবস্থা করতে হবে। আার তখনই জাতি চুড়ান্তভাবে কলঙ্কমুক্ত হবে বলে আমরা মনে করি।

 

মোঃ দিলওয়ার হোসেন বাবর
সহকারী অধ্যাপক, গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজ।
সমন্বয়কারী
বঙ্গবন্ধু গবেষণা সংসদ
সিলেট।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৩২ বার

[hupso]
Shares