সর্বশেষ

» রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও শিক্ষায় দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে ।। শওকত আখঞ্জী

প্রকাশিত: 10. August. 2020 | Monday

রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও শিক্ষায় দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে ।। শওকত আখঞ্জী

স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে বর্তমানে এসে  বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে সক্ষমতা অর্জন করতে পেরেছে তার জন্য বর্তমান সরকার প্রশংসার দাবীদার।দেশকে পরিচালনার জন্য সুস্থ সবল দূরদর্শী পরিকল্পিত বাস্তবিক  রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। এই অপরুপ লীলাভূমির আবাস্থল সবুজের সমারোহে ঘেরা এই সোনার বাংলাকে  প্রকৃত অর্থে এই দেশকে এগিয়ে নিতে কি ধরনের প্রশাসন কার্যশীল রাখতে হবে তার জন্যই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের  প্রয়োজন রয়েছে। অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার রক্তের বিনিময়ে যে বাংলা অর্জিত হয়েছে সেই বাংলাকে সোনার বাংলার রুপান্তর করতে হলে দেশের উন্নতি সাবলীলভাবে তরান্নিত করতে শিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শিক্ষার ভূমিকা কী হবে তা রাজনৈতিক ভাবে ঠিক করে নিতে হয়  তাই দেশের সার্বিক উন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সঠিক দিক নির্দেশ করে।

বাংলাদেশে বর্তমানে সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য  সুষ্ট রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত  নিয়েছেন বলেই দেশ আজ গ্রামে গঞ্জে শহরে ব্যাপক শিক্ষার প্রসার ঘটেছে তাই বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে বলেই বহিবিশ্বতে  বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদার আসনে এই বিষয়ে  সরকার ও দেশবাসী উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে, দেশের উন্নয়নের চাকা চলমান গতিশীল রাখার সবচেয়ে বড় উপাদান হচ্ছে পরিবার থেকে সমাজ এবং প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে  সু- শিক্ষা প্রয়োজন । তাই সরকার শিক্ষাকে ঢেলে সাজানোর জন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত  ইতিমধ্যেই নিয়েছেন বলেই শিক্ষার উন্নয়নের জন্য যা যা প্রয়োজন তার লক্ষ্যে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের শাসন তন্ত্রে প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যাতে করে আমাদের অনাগত ভবিষ্যতে এই প্রাথমিক শিক্ষা সর্বজনীন রুপ লাভ করে। সু- শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এই অনাগত  ভবিষ্যৎ প্রাথমিক শিক্ষা সর্বজনীন রুপ লাভ করে এই মহান ব্রত সামনে রেখে শিক্ষাক্রম রচিত হয়েছে বই পুস্তক লেখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে  মানসম্মত শিক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সঠিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের  ফলাফলে শিক্ষার আলো প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে,  দেশ প্রায় নিরক্ষতার অভিশাপ থেকে মুক্ত।

শিক্ষার হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার যে উল্লেখ্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার মধ্যে হলো মেয়েদের ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করা এবং যাতে অভিভাবকগণ দারিদ্র‍্যের দোহাই দিয়ে মেয়েদেরকে শিক্ষা প্রাপ্তির সুযোগ হতে  বঞ্চিত না করতে পারেন তার জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে বিনামূল্যে বছরের শুরুতে স্কুলে বই দেয়া হয়  এর ফলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে,অদূর ভবিষ্যত ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রে অসমতা দূর হয়ে শিক্ষার ইতিহাসে সূচিত নব অধ্যায়।

বর্তমান সরকারে উল্লেখ্য যোগ্য যে দূরদর্শী  রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা হল স্কুল কলেজ অধিকাংশ এখন ক্রমান্বয়ে  সরকারিকরণ করা হচ্ছে। আমাদের এই দেশ  প্রকৃত অর্থে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে বলেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্টান ইতিমধ্যেই সরকারিকরণ পক্রিয়ার আওতায় প্রতিটি উপজেলা একটি করে সরকারি স্কুল এবং কলেজ বিদ্যমান রয়েছে, আর যে সকল  মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোতে সরকার ৮০ ভাগের উপরে বেতন ভাতাদি প্রদান করে থাকে এছাড়া প্রয়োজনীয় আবর্তক মঞ্জুরি সরকার দিয়ে থাকে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ ব্যবস্থা করেছেন যাতে করে সম্ভবনাময় কোন শিক্ষার্থীরা টাকা পয়সা অভাবে তাদের পড়াশুনার সুযোগ হতে বঞ্চিত না হয়। তার সাথে প্রতিষ্টানের শিক্ষকদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ  মাধ্যমে  প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট ব্যবস্থা উন্নতি  করা হয়েছে,অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে যাতে করে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সরকার দেশে নিপুণ দক্ষ জনশক্তি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার উদ্যেশে মাধ্যমিক স্থর হতে বিশববিদ্যাল পর্যন্ত এমন ভাবে রুপায়িত করার চেষ্টা করেছেন যাতে দেশে সাহিত্যিক,চিকিৎসক,শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক, বৈজ্ঞানিক,প্রকৌশলী,কারিগর,ঐতিহাসিক, কারিগর প্রভৃতি পেশার দক্ষ লোকের অভাব না থাকে,তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সরকারের মহান উদ্যেগ রয়েছে এবং তার জন্য সরকারের  যুগউপযোগী সিদ্ধান্তে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং তার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ রইলো।

লেখকঃ
শওকত আখঞ্জী
উন্নয়নকর্মী ও কলামিস্ট

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ১১৯ বার

[hupso]
Shares